২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:১৩
শিরোনাম:

পুলিশের গুলি ছিনিয়ে নেওয়ায় হেফাজত কর্মীসহ গ্রেফতার ৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের সময় পুলিশের গুলি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দুই হেফাজত কর্মীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সদর উপজেলার সুহিলপুরের মৃত ছমির আলীর ছেলে আরব আলী (৪০) এবং মৃত রমিজ মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৪২)। তারা উভয়ই পেশায় ফল ব্যবসায়ী। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে হেফাজতের তাণ্ডবে জড়িত থাকার দায়ে সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৪৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর গ্রামের মো. চান মিয়ার ছেলে মো সুমনকে (৩৪) গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) রইছ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ আসামি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসার পথে সদর মডেল থানাধীন সুহিলপুর বাজারের শেষ মাথায় পাকা রাস্তায় ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী তাদের গাড়ি গতিরোধ করে সরকারি কর্তব্য কাজে বাধাদান করে। এ সময় খুনের উদ্দেশ্যে পুলিশকে মারধর করে ও আসামি পালানোর সুযোগ করে দেয়। হামলার সময় ২০ রাউন্ড গুলি ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা।

এ ঘটনায় মৌলভীবাজার পুলিশের নায়েক মো. মহিউদ্দিন বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার পুলিশের বিশেষ একটি টিমের সহায়তায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাদের দেখানো মতে ব্রাহ্মণবড়িয়া সদর থানাধীন সুহিলপুর বাজারের পিয়াসা মিষ্টি ভাণ্ডার দোকানের টিনের চালের ওপর হতে ২০ রাউন্ড চায়না গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবে জড়িত থাকার দায়ে জাকির হোসেন ও সুমন নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৪৯টি মামলায় ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে দুজন হেফাজত কর্মী রয়েছে।

Loading