২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৯
শিরোনাম:

অনুমোদন নেই হেলে পড়া ভবনের, ২০ ঘণ্টা পর অপসারণ শুরু

হেলে পড়ার ২০ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের গোয়ালপাড়ার পাঁচতলা ভবনটির অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অনুমোদন ছাড়াই ও ত্রুটিপূর্ণভাবে ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ)। তবে, অনুমোদন নিয়েই ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছে বলে দাবি ভবন মালিকদের।

নগরীর গোয়ালপাড়ায় হেলে পড়া কার্তিক ঘোষের ভবনটি ২০ ঘণ্টা পর অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেই ভবনটি ভাঙ্গার কাজ শুরু করে শ্রমিকরা।

দশমিক পঁচাত্তর শতাংশ জায়গার ওপর তোলা হয়েছিল ভবনটি। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুসারে কোনোভাবে এত কম জায়গার ওপর ভবন তোলার নিয়ম নেই। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ভবনটিতে ব্যানার টাঙিয়ে দেয় সিডিএ ও ফায়ার সার্ভিস। ভবনটি উপরের দিক থেকে নিয়ম মেনে ভেঙে আসতে হবে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। তবে, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষজন।

কোনো প্রকৌশলীর সহায়তা না নিয়ে ও অনুমোদনহীনভাবে ভবনটি করা হয়েছে বলে অভিযোগ সিডিএ’র। তবে, অনুমোদন না নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ভবন মালিকরা।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থলটি যেহেতু রেলওয়ে এলাকায় অবস্থিত। তাই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা বিবেচনায় এই এলাকায় সিডিএ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয় না। তাছাড়া এক শতাংশেরও কম ছোট জায়গায় সিডিএ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয় না।

ভবনের মালিক হেলে পড়া ভবনের অনুমোদনের কাগজপত্র দেখিয়েছেন তাহলে কিভাবে অনুমোদন দেয়া হলো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তারা যেটি অনুমোদনের কাগজ দেখাচ্ছে তা ১৯৯৬ সালের পূর্বের। তবে ভবন দেখে মনে হয় না ততটা পুরনো। যে আইনে অনুমোদন দেয়া হয়েছে দাবি করছে আইনটি অনেক আগেই বাতিল করা হয়েছে।

ভবনের মালিক দ্বীপ নারায়ণ ঘোষ সাংবাদিকদের বলেন, সিডিএ কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করে গতানুগতিক কথা বলছে। আমাদের কাছে ভবনের নকশা এবং অনুমোদন রয়েছে। তারা না জেনে এমন মন্তব্য করছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আজিজুল হক বলেন, ভবনটি অবশ্যই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভবনটিতে ভাঙ্গার সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করে উপরের দিক থেকে ভেঙে নিচে আসতে হবে। না হলে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙক্ষা রয়েছে।

এদিকে, পরিদর্শনে এসে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশনা দিয়েছেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম।

শনিবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কার্তিক ঘোষের ভবনটির নিচের পিলারে সংস্কার কাজ করার সময় সামনের দিকে হেলে পড়ে।

 

Loading