সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচে দ্রুত বেগে এসে থামলো একটি অ্যাম্বুলেন্স। দরজা খুলেই দুইজন ছুঁটে গেলেন করোনা ইউনিটে। ভেতরের অক্সিজেন মাস্ক পরিহিত রোগী জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছিল। পাহারায় আছেন অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!প্রায় ২০ মিনিট পর করোনা ইউনিট থেকে একজন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়ে ফিরলেন আসলেন ছুটে যাওয়া দুই ব্যক্তি। স্বাস্থ্য কমী জানালেন, ভেতরে বেড ফাঁকা নেই। আপাতত এখানেই রাখুন। বেড ফাঁকা হলে আমরা ভেতরে ডাকব।
সকাল ১০ থেকে বেলা সাড়ে ১১ পর্যন্ত এরকম অ্যাম্বুলেন্সে করে রোগী এসেছে প্রায় ১৭ জন। সিএনজি ও রিকশায় করে রোগীর হিসেব নেই। যাদের প্রত্যেকেরই অপেক্ষা কখন একটি শয্যা খালি হবে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, মার্চের মাসের তুলনায় এখন কয়েকগুণ রোগীর চাপ বেড়েছে। সকাল ৮টা থেকে ৯ টার মধ্যে ফাঁকা শয্যা গুলো ভরে যায়। ক্রিটিকেল রোগী ছাড়া এ মুহূর্তে কোনো রোগী ভর্তি সম্ভব হচ্ছে না। আর এসব রোগীদের তো মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়াও সম্ভব নয়।
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল শয্যা সংখ্যা ২৫০ টি রোববার পর্যন্ত রোগী ভর্তি প্রায় ৪ ’শ। হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ বলেন, আগে আমরা মৃদু ও মাঝারি সিমটোমের রোগী ভর্তি করতাম। এখন আমরা এ ধরনের রোগীদের বহির্বিভাগে চিকিৎসা দিচ্ছি এবং বলে দিচ্ছি যতক্ষণ পর্যন্ত অক্সিজেনের চাহিদা তৈরি না হয় ততক্ষণ বাসাতেই চিকিৎসা চালিয়ে যাবেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলম জানান, রাজধানীতে আরো ৫ টি হাসপাতালে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট করার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। একি সঙ্গে নতুন করে আরো ১৫’শ শয্যা বাড়ানোর হয়েছে। সম্পাদনা: সারোয়ার জাহান
![]()