রোববার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতের বৈঠক শেষে বের হওয়ার পর স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন হেফাজতের একাধিক নেতা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এছাড়া কেন্দ্রীয় সহ-অর্থ সম্পাদক মুফতি ইলিয়াস হামিদি সহ আটককৃত সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, রোববার হাটহাজারীতে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের বৈঠক শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর থেকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহ-অর্থ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি মুফতি ইলিয়াস হামিদিকে আটক করেছে র্যাব।
একই বৈঠক থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে আশ্চর্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। গতরাত থেকে এখন পর্যন্ত তার কোন খবর পায়নি পরিবার।
তিনি আরো বলেন, তার মোবাইল -ফোন এবং তার সাথে থাকা ব্যক্তির মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও তাকে গ্রেপ্তারের কোন খবর পাওয়া যায়নি। মাওলানা ইসলামাবাদী কি গ্রেপ্তার হয়েছেন নাকি তাকে গুম করা হয়েছে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হেফাজত নেতৃবৃন্দকে এভাবে গ্রেপ্তার ও গুম করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এসময় নুরুল ইসলাম জিহাদী আরও জানান, একজন নাগরিকের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র, সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা পাওয়া একজন নাগরিকের নৈতিক অধিকার। প্রায় ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে মাওলানা ইসলামাবাদী নিখোঁজ থাকার ঘটনা রাষ্ট্র কর্তৃক একজন নাগরিকের নিরাপত্তা অধিকারকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী নিখোঁজের দায়ভার রাষ্ট্র, সরকার ও প্রশাসনকেই নিতে হবে। সূত্র: মানবজমিন অনলাইন
![]()