২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:১৮
শিরোনাম:

শান্তিরক্ষা এখন অনেক চ্যালেঞ্জিং, বিশ্বশান্তি সুসংহত করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

বর্তমানে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ। জাতিসংঘ মিশনে শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক ও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা’র সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সা¤প্রতি শান্তিরক্ষীদের প্রাণহানির সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে।

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি ১৫৮ জন শান্তিরক্ষী প্রাণোৎসর্গ করেছেন এবং ২৩৭ জন আহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ নারী শান্তিরক্ষীসহ ১ লাখ ৭৫ হাজারের অধিক বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ৫টি মহাদেশের ৪০টি দেশে ৫৪টি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে।

বর্তমানে ৭ হাজারের বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েন আছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা যে মিশনেই গেছেন, সেখানে জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত ও উড্ডীন রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করেছেন।

বাংলাদেশ আজ বিশ্বের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। শান্তিরক্ষা অপারেশনে আগামী দিনের নতুন সংকটগুলো মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি দিয়ে প্রস্তুত করা এখন সময়ের দাবি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে আমরা আমাদের তিন বাহিনীর আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছি। আমাদের সামরিক বাহিনীতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রযুক্তির সংযোজন করেছি।

সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই। যেকোনো দেশের জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী অপরিহার্য। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিরসনে আমরা ‘শূন্য সহনশীলতার নীতি’ গ্রহণ করেছি।

মহামারির সময়েও ৫.৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

Loading