হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ জুনায়েদ আল-হাবীব এবং সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনূর রহমান শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এদিকে রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর আরও সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন একই আদালত।
এদিন পুলিশ আসামি জুনায়েদ ও কালালকে আদালতে হাজির করে রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায় প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন পুলিশ। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধীতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।
এরআগে গতকাল শনিবার বিকেলে জুনায়েদ আল হাবীবকে বারিধারা জামিয়া মাদানিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ঢাকা মহানগর হেফাজতে ইসলামের সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। আর দুপুরে হেফাজতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদকে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে সহিংসতার ঘটনায় মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়।
এর আগে ২০১৩ শাপলা চত্তরে হেফাজতের সহিংসতার ঘটনার বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গত ১২ এপ্রিল আজিজুল হক ইসলামাবাদীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই রিমান্ড শেষে পল্টন থানার আরও দুই মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। যার মধ্যে একটি শাপলা চত্বরে হেফাজতের সহিংসতার ঘটনায় এবং আরেকটি সাম্প্রতিক ঘটনার অভিযোগের মামলা। আজিজুল হক ইসলামাবাদীর পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে গত ১১ এপ্রিল মধ্যরাতে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে র্যাবের সঙ্গে যৌথ অভিযানে আজিজুল হককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
![]()