২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:২৯
শিরোনাম:

লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে প্রাইভেট কার-সিএনজির দখলে রাজপথ

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণায় গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও সিএনজির আধিক্য দেখা যায়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার সকালে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাতে চেকপোস্ট বসানো হয়। সকাল ৮টা থেকে দেখা যায়, মিরপুর ১২ নম্বর ইসিবি চত্ত্বর, বনানী ও মহাখালীর চেকপোষ্টকে ঘিরে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। লাইনে থাকা গাড়িগুলোর প্রায় শতভাগই প্রাইভেট কার অথবা সিএনজি।

এদিকে গণপরিবহন না থাকায় অফিসগামী যাত্রীদের ভোগান্তিও চরমে। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও পরিবহন না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।

চাকুরে আল আমিন বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও অফিস খোলা, কর্তৃপক্ষও পরিবহন ব্যবস্থা করেনি। এখন ছোট যানবাহনই ভরসা, তবে রাইড শেয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভাড়া গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ।

রকিব উদ্দিন জানান, লকডাউনের শুরুতে চলাচল অনেকটা নিয়ন্ত্রিত থাকলেও আজ যানবাহনের চাপ আগের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা দিয়েছে সরকার। চলাচল সীমিত করার লক্ষ্যে বন্ধ রাখা হয় গণপরিবহন। জরুরী সেবাসহ জরুরি চলাচলে পাস ব্যবহার বাধ্যতামূলক ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও এক সপ্তাহ সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। আজ সোমবার কেবিনেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে জানিয়েছেন, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

Loading