২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:০৪
শিরোনাম:

দোকানপাট খুলে দেওয়ার ঘোষণায় ঢাকা ফিরছে মানুষ, ফেরিঘাটে প্রচণ্ড ভিড়

লকডাউন শুরু হয় গত ১৪ এপ্রিল। দুদিন আগে থেকেই ঢাকা থেকে গ্রামে গেছেন বহু মানুষ। ২৫ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা শপিংমল ও দোকানপাট খোলা থাকার ঘোষণার পর সংশ্লিষ্টরা তড়িঘড়ি করেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ফেরি পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

একজন যাত্রী বলেন, লকডাউনের সময় তিনটি ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত ঠিক হয়নি। গাদাগাদি করে ফেরিতে করে নৌরুট পার হতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল যাত্রীদের জন্য লঞ্চ চলাচলের ব্যবস্থা রাখা।

এক ব্যবসায়ীর গাড়ি চালান সালাম সরদার। তিনি বললেন, মার্কেট খোলার ঘোষণা শুনেই স্যার যশোর থেকে রওয়ানা করেছেন।

ফরিদপুর অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিধিনিষেধ শিথিল করার আগেই অনেক মানুষ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। এ অবস্থাতেও পুলিশ সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য।

বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট শাখার বাণিজ্য বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে তিনটি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করছি। যে কারণে ফেরিঘাট এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আজ জানা যাবে এ রুটে কয়টি ফেরি চলাচল করবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, দৌলতদিয়া প্রান্ত দিয়ে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ রয়েছে। তারা গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের ফেরিতে যেতে দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

 

Loading