রাজধানীতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্ত:নগর বাস চলাচলের অঙ্গিকার করলেও সরোজমিনে দেখা গেছে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। কোনও বাসেই মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। ট্রিপ শুরুর আগে জীবাণুমুক্ত করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। মালিকদের পক্ষ থেকে গাড়ি জীবানুমুক্ত করার উপকরণও সরবরাহ করা হয়নি কোনও বাসে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সরেজমিনে দেখা গেছে, বলাকা, তুরাগ, রাইদা, ট্রান্স সিলভা, মালঞ্চ, বাহাদুর শাহ্ পরিবহন, গ্রীণ বাংলা পরিবহন, খাজাবাবা, আসিয়ান, ঠিকানা, মৌমিতা, গাবতলী ৬, আল মক্কা, মিডলাইন, শ্রাবণ রাণীমহলসহ বিআরটিসি গাড়িগুলোতে প্রতিটি সিটেই যাত্রী বসানো হয়েছে। কোনও সিট ফাঁকা রাখা হয়নি। যাত্রীদের অনেকের মুখে মাস্ক নেই। জীবানুমুক্ত তো দূরের কথা গাড়িগুলোর ভেতরে চরম নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। ঠিকমতো ঝাড়–ও দেয়া হয়নি। নির্দিষ্ট স্টপেজের বাইরে যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী তোলা হয়।
বলাকা গাড়ির চালক মো. সুজন শিকদার বলেন, আমরা নিজেরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করছি। মালিক পক্ষ থেকে তেমন কোনও উদ্যোগ নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গাড়ি চালক জানান, আমাদের জীবনের ভয় আছে, পেটে ভাতের জন্য গাড়ি চালাতে হয়। কিন্তু মালিকদের পক্ষ থেকে হ্যান্ডস্যানিটাইজার ব্যতিত গাড়ি জীবাণুমুক্ত করার জন্য কোনও উপকরণ দেয়া হয়নি। আমরা কাজ করছি, দিনশেষে মালিকের নির্ধারিত জমার টাকা দেয়াটাই তাদের কাছে বড় বিষয়। যাত্রী বা পরিবহন শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে তেমন উদ্যোগী নয় মালিকপক্ষ।
সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি। প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি গাড়ি পাহারা দেয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। যারা নিয়ম মানছে না তাদের বিরুদ্ধে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহŸান জানাই’।
![]()