৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৪০
শিরোনাম:

একদিনে এক দোকানেই ৪০ গরু জবাই!

ঈদের আগের দিন ভিড় বেড়েছে রাজধানীর গরুর মাংসের দোকানগুলোতে। ফলে প্রতিষ্ঠিত দোকানগুলোতে যেমন বেশি পরিমাণে গরু জবাই হচ্ছে তেমনি পাড়া-মহল্লাতেও বসেছে অস্থায়ী মাংসের দোকান। এসব দোকানে স্থানীয়দের পাশাপাশি মাংস বিক্রি করছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরাও।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মাংসের দোকানগুলোতে দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে অস্থায়ী দোকানগুলোতে তুলনামূলক কিছুটা কম দামে মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারের দোকানগুলোতে মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। আর পাড়া-মহল্লার ওইসব দোকানে মাংসের দাম ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা কেজি।

বিক্রেতারা বলছেন, এবার ঈদে মানুষের মাংস কেনা বেড়েছে। অন্যন্য বছরের তুলনায় লকডাউনের কারণে এ বছর বেশি মানুষ ঢাকায় ঈদ করছেন। ফলে মাংসের বিক্রিও ভালো।

মালিবাগ মেইন রোডে খোরশেদ গোশত বিপণীতে দিন-রাত প্রায় সারাক্ষণই মাংস বিক্রি হতে দেখা যায়। সেখানে আজ (বৃহস্পতিবার) ক্রেতাদের দিন লাইন ধরে মাংস কিনতে দেখা গেছে। ওই দোকানের তত্ত্বাবধায়ক স্বপন মিয়া বলেন, ‘আজ ৪০টি গরু জবাই হবে। এর মধ্যে (বেলা ১২ টা পর্যন্ত) ১১টা জবাই হয়েছে। কাল বিক্রি হবে আরও বেশি।’

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অলিগলি ও বাজারগুলোতে জবাই করার জন্য গরু বেঁধে রাখা হয়েছে। তবে দাম কোথাও ৫৮০, কোথাও ৬০০ টাকা কেজি।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে দোকানি খলিল আহমেদ বলেন, ‘গরু কিনেছি ৯৮ হাজার টাকায়, সঙ্গে খরচ যোগ হবে। গরুর দাম বেশি। তাই প্রতি কেজি ৬০০ টাকা বিক্রি করছি।’

এদিকে আরও কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানেই মাংসের ক্রেতাদের ভিড় রয়েছে। বেশির ভাগ ক্রেতাই কিনছেন দুই কেজির ওপরে।

পাড়া-মহল্লার মাংসের দোকানে দাম কম কেন এমন প্রশ্নের জবাবে বাজারের বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা গরু জবাই করে নিজেদের মতো মাংস বিক্রি করে। ওদের খরচ নাই, দোকান ভাড়া নেই। তাই কম দামে বিক্রি করলে ওদের পোষায়।

এদিকে গরুর মাংসের সঙ্গে বেড়েছে খাসির মাংসের দামও। টিসিবির হিসাবে, মাসখানেক আগেও খাসির মাংস পাওয়া যেত ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি। এখন তা ৮০০-৯০০ টাকা কেজি।

 

Loading