৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৪৩
শিরোনাম:

সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে, এই মামলা এখনই নি:শর্তভাবে প্রত্যাহার করা হোক: আনিসুল হক

মঙ্গলবার (১৮ মে) সিএমএম কোর্টে দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক এবং কিশোর আলোর সম্পাদক এসব কথা বলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আনিসুল হক বলেন, প্রথম আলোর পক্ষ থেকে আমরা আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সব সময় আদালতের কাছ থেকে ন্যায় বিচার পাওয়ার আস্থা রাখি।

তিনি বলেন, আইনের বাইরে একজন সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক হিসেবে বলতে চাই, রিমান্ডের আবেদন কেন করা হলো? এটি তো নাও করা যেত। তাহলে আজ আমরা জামিন নিয়ে কথা বলতে পারতাম। তবে আমরা আগে জামিনের জন্য আবদন করবো।

কিশোর আলোর সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকতার সার্থে দেশের সব সাংবাদিক সমাজকে এক হতে হবে। সবাই মিলে আওয়াজ তোলেন এই মামলা আজই প্রত্যাহার করা হোক।

তিনি বলেন, আড়াই শো বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেফারসন বলে গেছেন, সংবাদপত্রবিহীন রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রবিহীন সংবাদপত্র, এদুটোর মধ্যে আমি দ্বিতীয়টিগ্রহণ করতে একমুহুর্ত’ও সময় নেব না’।

আনিসুল হক বলেন, আমরা ৪র্থ স্টেজে সরকার ও প্রশাসনের সহযোগী। আমরা যদি দুর্নীতির তথ্য তুলে না ধরি, তাহলে সরকার কীভাবে জানবে দেশে দুর্নীতি হচ্ছে। কাজেই আমরা সরকারের উপকার করার চেষ্টা করছি। রোজিনা ইসলাম তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমার আহবান কারা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে, সরকার ও উচ্চ মহলে যারা আছেন তারা এই বিষয়টি দেখবেন। তবে আইনের যতো প্রক্রিয়া রয়েছে তা আমরা অব্যাহত রাখবো।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যের অবাধ প্রবাহ প্রতিটি নাগরিকের জানার অধিকার আছে। যদি সাংবাদিকার ওপর জুলুম করা হয়, সেটি দেশ ও প্রশাসন এবং সু-শাসনের জন্য ভালো না। যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের কথা নয়। বঙ্গবন্ধু তার সব বইয়ে বারবার সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলে গেছেন।

Loading