২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:৩২
শিরোনাম:

চরম ভোগান্তি নিয়ে ফিরছেন মানুষ, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

ঈদের পর ফিরতি যাত্রাতেও পথে-ঘাটে চোখে পড়ছে কর্মস্থলমুখী মানুষের চাপ। নানা ভোগান্তি নিয়েই ফিরছেন তারা। তবে কারও মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। দূরপাল্লার ভরসা প্রাইভেটকার আর পিকআপ। এদিকে যাত্রীবাহী নৌযান চালুর দাবিতে বরিশাল ও ভোলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শ্রমিকরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ঈদের ছুটি শেষ। কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ। করোনা সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোয় বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ। তাই সব চাপ এখন ফেরিতে পড়েছে। তবে সব ফেরি চলাচল করায় কর্মস্থলমুখী মানুষের চাপ তুলনামূলক কম। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে মঙ্গলবার (১৮ মে) রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। ফেরি ঘাটে তেমন সমস্যা না হলেও পথে পথে নানা ভোগান্তির অভিযোগ যাত্রীদের।

মহাসড়কে যাত্রীচাপ কমলেও দুর্ভোগ কমেনি। সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে দূরপাল্লার কিছু বাস চললেও যাত্রীচাপ বেশি থাকায় টিকিটবঞ্চিত হয়েছেন অনেকে। তাই বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপসহ ছোট ছোট যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া গুণে কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে তাদের।

এদিকে, লঞ্চ চালুর দাবিতে বরিশাল ও ভোলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নৌযান শ্রমিকরা। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, লকডাউনে লঞ্চ বন্ধ থাকলেও সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় অভাব অনটনে দিন কাটছে ৮ হাজারের বেশি নৌযান শ্রমিকের। রোববার (১৬ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার। ফলে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয় এ বিধিনিষেধ।

এর আগে শনিবার (১৫ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এদিন ফরহাদ হোসেন বলেন, এখন যেমনভাবে বিধিনিষেধ চলছে, তেমন করে আরও এক সপ্তাহ এ বিধিনিষেধ বাড়িয়ে ২৩ মে পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগের শর্তগুলোই বহাল থাকবে।

এর আগে কোভিড-১৯ সংক্রমণ আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি রুখতে সারাদেশে গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয় সাত দিনের লকডাউন। লকডাউন শেষে দুদিন বিরতির পর গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়।

সেই মেয়াদ শেষ হয় গত ২১ এপ্রিল মধ্যরাতে। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় লকডাউনের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে লকডাউন বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। এরপর গত ৩ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আবারও লকডাউন বাড়িয়ে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Loading