৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৮
শিরোনাম:

গোল্ডেন মনিরের ১২শ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ

স্বর্ণ চোরাচালান ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২২ বছরে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন গোল্ডেন মনির। ১২৯ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৯১ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সংস্থাটি বলছে, এসব অবৈধ কাজে সহযোগিতা নিয়েছেন ঢাকা উত্তরের কাউন্সিলর শফিকুল শফিক ও সিরাজগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিনের। মনিরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেছে সিআইডি।

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় গোল্ডেন মনিরের বাসায় গত বছরের নভেম্বরে অভিযান চালায় র‍্যাব। স্বর্ণ, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হন মনির। জানুয়ারিতে মনিরের অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে সিআইডি। তথ্য চাওয়া হয় বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ১৮ সংস্থার কাছে। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে মামলা করেছে সিআইডি।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯৬ সালে মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয় সোনালি ব্যাংক বিমানবন্দর শাখার পিয়ন রিয়াজ উদ্দিন, তার ভাই হায়দার আলী ও বিমানবন্দরের পার্কিং ইজারাদার শফিকুল শফিকের সঙ্গে। এই চারজন মিলে শুরু করে স্বর্ণ চোরাকারবার।

গোল্ডেন মনিরের স্ত্রী, ছেলে ও নিজের নামে ৩০টি প্লট, ১৫টি ভবন, ১টি আবাসন প্রতিষ্ঠান ও ২টি গাড়ির শোরুমের খোঁজ পেয়েছে সিআইডি। মনির ও তার প্রতিষ্ঠানের ১২৯ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৯১ কোটি টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। যার মধ্যে ৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে।

এ মামলায় ঢাকা উত্তরের কাউন্সিলর শফিকুল শফিক ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন ও রিয়াজের ভাইকে সহযোগী হিসেবে আসামি করা হয়েছে। মনিরের সম্পদ দেখভাল ও ভোগ করার দায়ে আসামি করা হয়েছে মনিরের স্ত্রী, সন্তান, বোন, ভগ্নিপতিসহ ৬ জন।

মামলার বাকি ৯ আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তদন্ত দ্রুত শেষ করে অভিযোগপত্র দিতে চায় সিআইডি।

Loading