স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণের দাবিতে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র ইউনিয়ন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!রোববার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে মিছিল বের করে ছাত্র সংগঠনটি। মিছিলটি হাইকোর্ট মোড় হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে সচিবালয়ের ৮ নম্বর গেটের সামনে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। পরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন ছাত্রনেতারা।
ছাত্র নেতারা বলেন, শত বছরের পুরাতন অফিসিয়াল সিক্রেটস আ্যাক্ট দিয়ে স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা করছে সরকার। এ সময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন বাতিলের দাবি জানান তারা।
নেতারা দাবি জানিয়ে বলেন, অতি দ্রুত রোজিনাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে, তার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দিতে হবে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া সেতু প্রমুখ।
এদিকে অনুমতি ছাড়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সরকারি নথির ছবি তোলার অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের করা অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট মামলায় দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ৫ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ আদেশ দেন। আদেশে তার পাসপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) রোজিনা ইসলামের জামিন শুনানি শেষে রোববার (২৩ মে) আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত।
গত মঙ্গলবার (১৮ মে) দুপুরে রোজিনা ইসলামের রিমান্ড আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মোহাম্মদ জসিম এ নির্দেশ দেন।
এর আগে রোজিনার বিরুদ্ধে করা স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের করা অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট মামলা ডিবিতে স্থানান্তর করা হয় বলে জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এইচ এম আজিমুল হক।
প্রসঙ্গত, সচিবালয়ে অনুমতি ছাড়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের সরকারি নথির ছবি তোলার অভিযোগে রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার পর শাহবাগ থানা পুলিশে সোপর্দ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১৭ মে) রাত সাড়ে ৮টার পরে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি টিম সচিবালয় থেকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিয়ে যায়। রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সিব্বির আহমেদ ওসমানী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
![]()