২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৩৭
শিরোনাম:

খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার: স্বামীর হত্যাকারীর ফাঁসি চাইলেন স্ত্রী

আমার স্বামীর হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। আমার ১৬ মাসের সন্তানকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাব। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমার স্বামী হত্যাকারীর ফাঁসি আমি দেখতে চাই। রোববার (৩০ মে) রাতে মহাখালীর পৃথক স্থান থেকে খণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের নাম জানা যায় ময়না মিয়া। তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন আক্তার ঢাকা মেডিক্যাল মর্গে এসে এসব কথা বলেন। বিয়ের সময় তিনি জানতেন না, তার স্বামীর আরেকটা স্ত্রী আছেন।
মঙ্গলবার (০১ জুন) ঢাকা মেডিক্যাল মর্গে নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী আরও বলেন, গত ৮ বছর আগে আমার সঙ্গে ফোনের মাধ্যমে ময়না মিয়ার পরিচয় হয়। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে পারিবারিকভাবে আমাদের বিয়ে হয়। ১৬ মাসের রিহান নামে তাদের একটি সন্তান আছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি আরও জানান, বিয়ের সময় আমি জানতাম না, আমার স্বামীর আগের আরেকটা স্ত্রী আছে। কিন্তু সেটা পরে জানতে পারি। সেই ঘরে দু’টি সন্তানও আছে তার।

পুলিশের কাছে থেকে জানতে পেরেছি তার স্বামী বড় স্ত্রীকে নিয়ে মহাখালী কড়াইল বস্তিতে থাকতেন। পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়েছি আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। খবর আমি ঢাকায় আসি।

সিলেটে ময়না মিয়ার বাড়ি হলেও কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায় আমার কাছেই থাকতেন তিনি। ওখানে তিনি সিএনজি চালাতেন। বেশ কয়েকদিন আগে তিনি ঢাকায় আসেন। তার স্বামী ময়নার যাওয়ার কথা ছিল সিলেটে।

তিনি আরও বলেন, আমি কিছুই বুঝিনা আমার স্বামীর হত্যাকারীর বিচার চাই। আমার স্বামীকে যে হত্যা করেছে, আমার ১৬ মাসের শিশুকে যে এতিম করেছে তার ফাঁসি আমি দেখতে চাই।

এর আগে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ও বনানী থানা পুলিশ মরদেহের খণ্ডগুলো তিনটি সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল মর্গে পাঠায়। পরে দুপুরের দিকে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ।

Loading