৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৫৭
শিরোনাম:

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সম্পৃক্ত রাখতে নানামুখী চেষ্টা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী শতভাগ ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। টেলিভিশন ও রেডিওতে যে শিক্ষা পরিকল্পনা কর্মসূচি ছিলো, একই ভাবে অনলাইন ক্লাস নেওয়া হচ্ছে, পার্থক্য শুধু একটি একপাক্ষিক অন্যটি অংশগ্রহণমূলক। অর্থাৎ এটি গুগোল মিটের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। এই শিক্ষা কার্যক্রমে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি আরও বলেন, গুগোল মিটে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২জন করে শিক্ষককে গুগোল মিটে অরিয়েন্টেশন দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা ঠিক মতো ক্লাস নিতে পারে। এই শিক্ষকবৃন্দ যেসকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্মার্ট ফোন বা ডিভাইস আছে তাদেরও অরিয়েন্টশেন দিয়েছেন এবং দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে ক্লাসে যুক্ত করা।

প্রতিটি ক্লাসের জন্য স্মার্ট ফোন বা ডিভাইস আছে এমন ৩০জন শিক্ষার্থী নির্বাচন করার নির্দেশনা আছে। এখানেই আমাদের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় কারণ এই সংখ্যক শিক্ষার্থীর স্মার্ট ডিভাইস নেই। তবে শতভাগ শিক্ষককের স্মার্ট ডিভাইস নিশ্চিত করা হয়েছে।

আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, সম্ভাব্য সব ধরনের প্রযুক্তিই যাচাই করা হয়েছে যেমন- আগে ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটাস অ্যাপ, স্টিমওয়ার্ডে ক্লাস হতো এর বিপরীতে গুগোল মিটে ক্লাস চালু করা হয়েছে। এতে ডাটা কম, ব্যান্ডউইথ অল্প লাগে অর্থাৎ যেখানে ইন্টারনেট দুর্বল সেখানেও গুগোল মিট কাজ করে। এছাড়া গুগোল মিট ক্লাস করার জন্য খুব ভালো এর থেকে গুগোল ক্লাসরুম আরো এ্যাডভান্স যেখানে ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরাও ক্লাস করতে পারবেন।

তিনি বলেন, এছাড়া গুগোল মিট ক্লাসে ইন্টারঅ্যাকশন, বোর্ডে এনিমেশন দেখানোসহ অনেক কাজ করা যায়। প্রাথমিক ভাবে আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করা। সকল শিক্ষার্থীকে বাড়ি বাড়ি ওয়ার্কশিট পঠানো, শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে শিক্ষকদের যোগাযোগ রাখা। ভবিষ্যতে আরও ভালো কোনো উপায় পাওয়া গেলে আমরা সেটি বিবেচনা করে দেখবো।

মনসুরুল আলম বলেন, কিছু জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে গ্রাম অঞ্চল, মফস্বল শহরে ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার গ্রাম ও শহর অঞ্চলের কিছু কিছু জায়গায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশ বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেছে, যার সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য আমরা পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছি। আমাদের ধারণা শহর থেকে অনেক শিক্ষার্থী গ্রামে গিয়েছে, এছাড়াও কিন্ডার গার্টেন ও প্রাইভেট স্কুল বন্ধ থাকাতেও গ্রামে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

 

Loading