নেয়ামূল হক নয়ন গজারিয়া প্রতিনিধি:
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী গ্রামের ছএাদী মৌজার ফুলদী নদীর পার হতে জামালদি সিকিড় গাও খাল পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যের পনের হতে ছাব্বিশ ফুট প্রস্থের এই সরকারই হালট টি কতিপয় অবৈধ দখলদারিত্বের পাশাপাশি বহুতল ভবনের মালিকরা এই হালটের উপর বিশ ফিট দৈর্ঘ্যে ও দশ ফিট প্রস্তের পনের ফিট গভীরতায় পয়োনিষ্কাশনের ছোট-বড় আরও কয়েকটি টাংকি তৈরি করায় দুই থেকে তিন হাজারের জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকার স্থায়ী ইউপি সদস্যদের নাম ভাঙ্গিয়ে হালটের সন্নিকটে বসবাসকারী মালিকরা বিভিন্ন উপায় হালটি দখল করে রাখায় বসতবাড়ির পয়ঃনিষ্কাশনের পানি রাস্তায় ঘুড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধের পাশাপাশি পরিবেশের উপর প্রভাব পড়ে বিভিন্ন রোগ-জীবাণুর সৃষ্টি হয়ে প্রায় সময় অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এমনকি পয়োনিষ্কাশনের টাংকি নির্মাণের সময় ভবনের মালিকরা সরকারি হালট এর মাটি নিজস্ব জায়গায় ফেলে ভরাট করেছে বলে সরজমিনে গিয়ে এমনটা জানা যায়।
হালট টি অবৈধ দখলের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বেশ কয়েকজন অবৈধ দখলদারদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। তারমধ্যে ১: আলাল হাজী, পিতা তমিজউদ্দিন ২: মিসির আলি, পিতা ফজর আলী ৩: ঈমান হোসেন, পিতা আবুল হোসেন ৪: বুলু মিয়া, পিতা ফজর আলী ও রাজা মিয়া সহ আরো অনেকে অবৈধ দখল করে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী করে রেখেছে।
হালটের পাকা রাস্তার মুখে বাধার সৃষ্টি করে স্থায়ীভাবে ফয়সাল ষ্টোর নামে দোকানপাট তুলে অবৈধ দখল করে ব্যবসা করে যাচ্ছে কতিপয় লোকজন।
এমনকি হালট এর উপর থেকে বাড়ির মালিকরা বিভিন্ন সময় মাটি কর্তন করে নেওয়ার ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার তৈরি হলে চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
হালট এর সন্নিকটে এই মহল্লার মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের একমাত্র মসজিদটিতে চলাচলেও রয়েছে মুসল্লিদের বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন।
৬নং ওয়ার্ড সদস্য আলমগীর হোসেনের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার পরেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সরকারি হালট দখল উচ্ছেদ ও উদ্ধারের এর ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসমিন সুলতানা জানান, এই হালট জনসাধারণের জন্য কারো অবৈধ দখলের জন্য নয় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
![]()