৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৫৯
শিরোনাম:

করোনা সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধ আরও এক মাস বাড়তে পারে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান ‘লকডাউন’ আরও বাড়তে পারে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিলে বুধবার (১৬ জুন) ‘লকডাউন’ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। প্রস্তাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১০ দিন অর্থাৎ ১৬ জুন মধ্যরাত থেকে ২৬ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৬ জুন বিধিনিষেধের মেয়াদ ১০ দিন বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সে হিসেবে আজ বুধবার (১৬ জুন) রাতে শেষ হবে এই বিধিনিষেধ। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় এবং ভারতের ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ায় এই বিধিনিধেষ বাড়ানো প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার।

পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক বসিয়ে খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হয়।

এ ছাড়া বিধিনিষেধে আগে থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া ছিল। এ ছাড়া জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি অফিস সীমিত পরিসরে চলছে। আর সীমিত পরিসরে হচ্ছে ব্যাংকের লেনদেন।

সবশেষ মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৫০ জন মারা গেছেন। এই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও তিন হাজার ৩১৯ জন।

Loading