বড়লোক ব্যবসায়ীদের সুন্দরী মডেল ও অভিনেত্রী সরবরাহ করতো অমি
Rubel Sheikh, জুন ২০, ২০২১ at ৮:২৯ অপরাহ্ণ
চিত্রনায়িকা পরীমনিকাণ্ডে আলোচিত তুহিন সিদ্দিকী অমিকে নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। জানা গেছে, রাজধানীর অভিজাত এলাকার ক্লাবগুলোতে সদস্য হয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতেন অমি। এরপর তাদেরকে সুন্দরী মডেল, শিক্ষার্থী ও অভিনেত্রী সরবরাহ করতেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে অমির নারী পাচারের ব্যবসা করতেন। নারী পাচার দিয়েই তার কোটি কোটি টাকার মালিক হন তিনি।
ট্রেনিং সেন্টারে আসা নারীদের বিশেষ করে যারা দেখতে সুন্দরী তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত বড় বড় ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিতেন অমি। এছাড়া চাকরির কথা বলে এখন পর্যন্ত মধ্যেপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য নারীকে পাচার করেছে অমি। সিঙ্গাপুর, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে তার নিজস্ব ফ্ল্যাট এবং ব্যবসাও রয়েছে।
সূত্র আরো জানায়, রাজধানীর গুলশান, উত্তরাসহ অভিজাত শ্রেণির একাধিক ক্লাবে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে সদস্য হন অমি। উদ্দেশ্য হলো বিত্তশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলা। এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হলে তাদেরকে উঠতি মডেল, শিক্ষার্থী, অভিনেত্রীসহ বিভিন্ন নারী সরবরাহ করতেন অমি।
অমির উত্তরার ভাড়া বাসাতেও প্রতিরাতে নারী এবং মদের আড্ডা বসতো। যেখানে অমির টার্গেট করা নারী ও ব্যবাসায়ীরা আসতেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান বলেন, সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে অমির নারী পাচারের বিষয়টি আরো বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হবে।
প্রসঙ্গত, ৯ জুন মধ্যরাতে সাভারে অবস্থিত ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার চার দিন পর রোববার রাত ৮টার দিকে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এবং রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনা প্রকাশ করেন নায়িকা পরীমনি।
সোমবার সকালে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন তিনি। ওই দিনই প্রধান আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে মাদক ও ইয়াবা জব্দ করা হয়।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!