জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনিকে ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি তুহিন সিদ্দিকী অমির নয় সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডি। বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এ মানবপাচার চক্রটি। সিআইডির অভিযানে ৩৯৫টি পাসপোর্টসহ বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ জুন) রাজধানীতে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক।
চিত্রনায়িকা পরিমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি তুহিন সিদ্দিকী অমির অফিসে অভিযান চালিয়ে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য সালাউদ্দিন ও জসিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তাদের দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে এ চক্রের আরও সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডির অভিযানে পাচারকারী চক্রের মূলহোতা অমির অফিস থেকে ৩৯৫টি পাসপোর্ট, সম্পত্তির দলিল, চারটি বিলাসবহুল গাড়ি, কম্পিউটারের হার্ডডিস্কসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয় বলে জানান সিআইডির এ কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বেশি বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে মানবসম্পদ পাচার করত এ চক্রটি।
জানা গেছে, কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পেয়ে সেসব দেশে মানবেতর জীবনযাপন করেছেন অনেক মানুষ। এছাড়াও আরও অনেক নিরীহ মানুষকে দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। আর এই পুরো চক্রের মূল হোতা অমি।
সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অমি এ কাজ করে আসছে। সে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত। দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে সে মানবপাচার করেছে। অনেকে কষ্টের মধ্যে আছে। অনেকে আবার টাকা জমা দিয়ে ফেরত পায়নি।এ চক্রের সঙ্গে আরও অর্ধশত মানুষ জড়িত বলে জানায় সিআইডি।
![]()