৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:০১
শিরোনাম:

সিনহা হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় কারান্তরীণ টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য শুরু হলো। রোববার কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালত চার্জগঠনের আদেশ দেন। সেই সঙ্গে প্রদীপসহ ১০ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলার এজাহারে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ২ নম্বর এবং সাবেক এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত ৩ নম্বর আসামি।

গতবছর ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় ৫ আগস্ট তার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী এবং টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ পুলিশের ৯ সদস্যকে আসামি করে মামলা করেন। আদালত মামলাটির তদন্তভার দেন র‌্যাবকে।

পরদিন ৬ আগস্ট ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং আদালতে তাদের জেল-হাজতে পাঠান। পরে শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকারী আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য এবং সিনহা হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা টেকনাফ থানার মামলার সাক্ষী স্থানীয় তিন জন বাসিন্দাকে আসামি দেখিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে সাবেক ওসি প্রদীপ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া অপর ১২ জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ হত্যা মামলায় গত ১৩ ডিসেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাবের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। এতে টেকনাফ থানার সাবেক দুই পুলিশ কনস্টেবলকে নতুন করে আসামি করা হয়। তারা হচ্ছেন- কনস্টেবল সাগর দেব ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা। পরে র‌্যাব কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে গ্রেপ্তার করলেও কনস্টেবল সাগর দেব পলাতক আছেন।

প্রায় নয় মাস আগে দুদকের একটি মামলায় হাজিরা দিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর ওসি প্রদীপকে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম কারাগারে নেওয়া হয়েছিল। এরপর গত ১০ জুন তাকে চট্টগ্রাম থেকে পুনরায় কক্সবাজার জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

 

Loading