রোববার (২৭ জুন) গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নেয়া ঢামেকের ৩০৮ জন ডাক্তার ও কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করে দীর্ঘ ৫ মাস গবেষণার পর এমন ফলাফল উঠে এসেছে জানান তারা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এসএম সামসুজ্জামানের নেতৃত্বে গবেষণা কাজটি পরিচালিত হয়। সকালে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন অধ্যাপক ডা. সামসুজ্জামান।
১ম ভ্যাকসিন দেয়ার ৪ সপ্তাহ পর নমুনা (রক্ত) সংগ্রহ করা হয় এবং ৪১ শতাংশ অংশগ্রহণকারীর শরীরে এন্টিবডি পাওয়া যায়। ২য় ডোজ দেয়ার ৪ সপ্তাহ পর নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ৯৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারীর শরীরে এন্টিবডি উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়। ওই গবেষণায় অর্থায়ন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এছাড়া ঢামেকের অধ্যক্ষ ডা. মো. টিটো মিয়া এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল আলম চৌধুরী গবেষণায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।
এসময় অধ্যাপক ডা. সামসুজ্জামান বলেন, গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের সবার বয়স ৩০ বছরের উর্ধ্বে। এরমধ্যে ৮০ শতাংশের বয়সই ৫০ বছরের বেশি। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়ার পর এন্টিবডি তৈরি হলো কি হলো না দেখা। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার পর কি পরিমাণ এন্টিবডি তৈরি হলো। এন্টিবডি তৈরি হওয়ার পর তা শরীরের কতদিন থাকবে জানতে চাইলে তিনি জানান, এন্টিবডি তৈরি হওয়ার পর তা ছয় মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। এটা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে। সূত্র: মানব জমিন অনলাইন, কালের কণ্ঠ অনলাইন
![]()