ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছু বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা দেখছি, হাসপাতালগুলোতে কিছু রোগী ভর্তি হচ্ছে। সুতরাং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের তদারকি আরও বৃদ্ধি করতে হবে। কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে গতবারের মতো এবারও আমরা এবারও সফল হবো।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মেয়র কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক ভবনের মালিক সমিতির সাথে কথা বলবেন। সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক আছেন, অনুরোধ করছি তাদের বাসা-বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যেন আমাদের কর্মীরা ঢুকতে পারে।
তিনি বলেন, আমরা দেখছি বাসাবাড়ির আনাচে-কানাচে, বিভিন্ন সামগ্রী, চাকা, পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল-পাত্রে স্বচ্ছ পানি জমে থাকার কারণে, বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে মশকের বিস্তৃতি হচ্ছে।
মঙ্গলবার দক্ষিণ সিটির সাধারণ সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সাথে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ শীর্ষক’ দিকনির্দেশনামূলক সভায় নগর ভবন হতে অনলাইন প্লাটফর্মে সংযুক্ত হয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এই আহ্বান জানান।
মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, এসব জায়গায় বিভিন্ন পাত্র-সামগ্রীর মধ্যে পানি জমে থাকে। সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। সেগুলোতে লার্ভিসাইডিং করতে হবে, কীটনাশক ছিটিয়ে দিতে হবে। ছাদের কার্নিশে ও ছাদের অনেক জায়গায় পানি জমে থাকে, সেগুলো দেখতে হবে।
মহিলা কাউন্সিলরদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, আপনাদের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে অনায়সে যাতায়তের সুযোগ আছে। যেসব বাসাবাড়িতে ফুলের টব-ছাদবাগান বেশি আছে। আপনারা প্রয়োজনে সেসব বাসাবাড়িতে তাদের প্রবেশের সুযোগ করে দেবেন। বাসাবাড়ির আঙ্গিনা, ছাদে গিয়ে হলেও আমাদের এই মশা নিধন কার্যক্রম নিতে হবে।
মশক নিয়ন্ত্রণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে মেয়র বলেন, আপনারা চাহিদা দেবেন, যেখানে যা লাগবে আমাদেরকে জানাবেন। এই কার্যক্রমকে সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করবেন।এ সময় মেয়রের সাথে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ, সচিব আকরামুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
![]()