২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:২০
শিরোনাম:

পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করতে হব: মেয়র আতিকুল

শনিবার (১০ জুলাই) বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্ক সংলগ্ন ৮৬ নম্বর রোড এলাকায় এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে ৮ দিনব্যাপী মশক নিধনে চিরুনী অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছে একথা বলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মেয়র বলেন, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব এখন করোনা মহামারির মধ্যে রয়েছে। এই করোনাকালে যাতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় কারও মৃত্যু না হয়, সেজন্যই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে ১১ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত শুক্রবার ব্যতীত ৮ দিনব্যাপী মশক নিধনে চিরুনী অভিযান পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, রোদ-বৃষ্টির মিশেল আবহাওয়া এডিস মশার বংশ বিস্তারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ঢাকাকে এডিস মশা মুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। করোনা মহামারীকালেও জনগণের পাশে থেকে একটি সুস্থ, সুন্দর ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য ডিএনসিসি মেয়রের প্রশংসা করেন।

এ সময় তাজুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতিসহ এডিস মশা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সবাই ডিএনসিসি মেয়রকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করতে হবে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্ববান হয়ে নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশ বিস্তারকে রোধ করতে হবে। নিজেদের বাসাবাড়িতে ফুলের টব, ছাদ কিংবা অন্য কিছুতে যাতে তিন দিনের বেশি পানি জমে না থাকে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সবার ঢাকা’ মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে যে কোন নাগরিক অতি সহজেই এলাকার রাস্তা, মশক, সড়ক বাতি, আবর্জনা, জলাবদ্ধতা, পাবলিক টয়লেট, নর্দমা ও অবৈধ স্থাপনা এই আটটি বিষয়ে সরাসরি তার মতামত কিংবা অভিযোগ ডিএনসিসির কাছে তুলে ধরতে পারছেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই উক্ত সমস্যার সমাধানও পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ডিএনসিসি এলাকার যেসকল ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুণিয়া রোগি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সেই তথ্য ডিএনসিসিতে সরবরাহ করা হলে সংশ্লিষ্ট রোগীর বাড়ি ও তার আশপাশে মশার ঔষধ স্প্রে করা হবে।

মেয়র বলেন, সরকারি কিংবা বেসরকারি যেকোন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলেই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং ডিএনসিসি মেয়রের উপস্থিতিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে গুলশান-২ এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট-ওয়েস্ট প্রোপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডকে নির্মাণাধীন ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং একই এলাকায় ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাইট ইঞ্জিনিয়ার সাইদ হোসেনকে একই অপরাধে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এসময় তাঁরা নির্মাণাধীন ভবন দুটিতে লাল কালিতে ক্রস চিহ্ন এবং সতর্কতামূলক স্টিকার লাগিয়ে দেন।

Loading