২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:২০
শিরোনাম:

‘যেখানে সংক্রমণ-মৃত্যু বেশি, সেখানে নতুন হাসপাতাল হবে’

`করোনা ভাইরাসকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ভাবছে গ্রামের মানুষ। এ কারণে রোগীর পরিস্থিতি যখন জটিল হচ্ছে, তখন তারা হাসপাতালে আসছে। কিন্তু ততক্ষণে চিকিৎসকদের আর কিছুই করার থাকছে না।’ রোববার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। দ্বিতীয় দফায় শহরের তুলনায় সংক্রমণ গ্রামাঞ্চলেই বেশি। সংক্রমণ একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে বেড়ে গেছে। তাই ইউনিয়ন বা গ্রামে যারা বসবাস করেন এবং তাদের মধ্যে যারা বয়স্ক মানুষ আছেন, তারা মারা যাচ্ছেন। কারণ ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ের মানুষ করোনা নিয়ে এতটা সচেতন নন।

ওই সব এলাকায় যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তারা এটাকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ও কাশি মনে করছেন। তাছাড়া এই সময়ে যেহেতু বৃষ্টি হচ্ছে, আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে, তাই এটি তাদের স্বাভাবিক ধারণা। তারা মনে করছেন, তাদের করোনা হয়নি। সে অনুযায়ীই তারা স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, গ্রামের ওই সব মানুষের শ্বাসকষ্ট যখন এক পর্যায়ে খুব বেড়ে যায়, তখন তারা হাসপাতালে ছুটে আসেন। কিন্তু ততক্ষণে তাদের ফুসফুসের প্রায় ৭০ শতাংশের সংক্রমিত হয়ে যায়। অক্সিজেন লেভেল নেমে গেছে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে। তখন আর চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়ে উঠে না। চিকিৎসক ও নার্সরা তাদের বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, কিন্তু তখন আর কোন কাজ হয় না।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত দুই দিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে এলজিআরডি, স্বরাষ্ট্র ও তথ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য যারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছেন, এসব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেসব এলাকায় রোগী বেশি সেখানে নতুন করোনা হাসপাতাল বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে বর্তমানে যেসব হাসপাতালগুলো রয়েছে, সেগুলোতেও শয্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান তিনি।

Loading