৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:৪৩
শিরোনাম:

স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালু ও প্রণোদনার দাবি করলেন খন্দকার এনায়েত উল্লাহ

আসন্ন ঈদ উল আজহার আগেই যানবাহন চলাচল কিছুটা শিথিল করা হতে পারে। বিশেষ করে পশুর হাটে আসার জন্য সীমিত পরিসরে যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া ঈদকে সামনে রেখে খুলে দেওয়া হতে পারে বিপণিবিতানও। আবার সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে ঈদে সবাইকে কর্মস্থলে রাখারও চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এদিকে লকডাউন শিথিলতার বিষয়ে গত রোববার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ১৪ জুলাইয়ের পরও বিধিনিষেধ থাকছে। তবে বিধিনিষেধে শিথিলতা আসবে কি না, সেটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সময়টিভি।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, লকডাউনের পর জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে ঈদকে সামনে রেখে গণপরিবহন চালুর ব্যাপারে এখনো কোনো নির্দেশনা দেয়নি সরকার।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দুটি দাবি ক. গণপরিবহণ চালুু খ. পরিবহন খাতে ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্রদান। তবে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা বা সহায়তার আভাস পাওয়া যায়নি।

দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসের ডেল্টা বা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক সংক্রমণ হচ্ছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা। একদিকে করোনার আতঙ্ক ও অন্যদিকে অসহায় মানুষের হাহাকার, সব মিলিয়ে কঠিন এক সিদ্ধান্তের ত্রিমুখী দোলাচলে সরকার। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদ উল আজহাকে কেন্দ্র করে চলমান কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) বর্তমান অবস্থাতেই থাকবে? প্রত্যাহার করা হবে? নাকি শিথিল করা হবে? এই তিন প্রশ্নের সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ। আরটিভি।

 

Loading