৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:১৯
শিরোনাম:

টিকা নিয়ে দারুণ সুখবর দিল রাশিয়া

প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের আগস্টে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে আসে রাশিয়া। পুরো বিশ্বকে কোনো রকম তথ্য না দিয়ে ওই বছরের ১১ আগস্ট স্থানীয়ভাবে ‘স্পুটনিক-ফাইভ বা স্পুটনিক-ভি’ টিকার লাইসেন্স দেয় দেশটির সরকার। রাশিয়ার এই টিকা তৈরির খবর সে সময় বিশ্বে নজর কেড়েছিল।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক নামের একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে মহাকাশ জয়ের প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করার কথা ঘোষণা করেছিল। সেই স্পুটনিকের নাম অনুসারে করোনা ভ্যাকসিনের নামও রাখা হয় স্পুটনিক।
প্রথম দিকে স্পুটনিক-ভি টিকা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন বিজ্ঞানীরা। তবে এখন তারা বলছেন, এই টিকা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অন্যান্য টিকার মতোই সমানভাবে কার্যকর।

এদিকে করোনা প্রতিরোধে স্পুটনিক-ভি টিকা নিয়ে জানা গেল নতুন তথ্য। বর্তমানে করোনাভাইরাসের দুই ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা এবং লামডা প্রজাতি বিশ্বজুড়ে বেশিরভাগ সংক্রমণ এবং প্রাণহানীর জন্যে দায়ী। এই পরিস্থিতিতে সুখবরর দিয়েছে রাশিয়ার গামেলিয়া রিসার্চ ইন্সটিটিউট। একটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করে তারা জানায়, স্পুটলিক-ভি করোনাভাইরাসের সকল ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে সমান কার্যকর।

সোমবার (১২ জুলাই) রাশিয়ার গামেলিয়া রিসার্চ ইন্সটিটিউটের প্রকাশিত ওই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, করোনাভাইরাসের আলফা বি ওয়ান, বেটা বি ওয়ান, গামা পি ওয়ান, এবং ডেল্টা বি ওয়ান প্রজাতির বিরুদ্ধে সমান কার্যকর স্পুটনিক-ভি। তারা আরও জানায়, মস্কো প্রজাতি এবং ল্যামডা প্রজাতির বিরুদ্ধেও স্পুটনিক-ভি সমান কাজ করে বলে জানিয়েছে ওই রিসার্চ ইন্সটিটিউট।

গামেলিয়া রিসার্চ ইন্সটিটিউট জানায়, টিকার কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা চালানো হবে। প্রায় ৬৭টি দেশে রুশ টিকা স্পুটনিক-ভি ব্যবহার হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

Loading