২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:৩৭
শিরোনাম:

বিসিসি’র ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরিচ্যুত

শনিবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস। তিনি জানান, নানা কারণে চাকরিচ্যুতদের কাউকে কাউকে আগে বরখাস্ত ও ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছিল। সতর্ক করার পরও সংশোধন না হওয়ায় তাদের চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বরখাস্ত বা ওএসডি হওয়ার আগে কর্তৃপক্ষ তাদের মৌখিকভাবে সতর্ক করলেও তারা নিজেদের সংশোধন করেননি। সিটি করপোরেশনের আর্থিক ক্ষতিসহ ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় চতুর্থ পরিষদের নবম সাধারণ সভায় ৯০ দিনের বেতন পরিশোধ করে তাদের চাকরিচ্যুতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার অব্যাহতির চিঠি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। বাংলা নিউজ২৪.কম

চাকরিচ্যুতিরা হলেন, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) কাজী মনিরুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মতিন, নির্বাহী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কমল ও জহিরুল ইসলাম, চিফ অ্যাসেসর মো. আজম, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রুমেন, অ্যাস্টেট অফিসার (সম্পত্তি) শাখা মাহাবুবুর রহমান শাকিল, হিসাবরক্ষক মো. মাইনুদ্দিন, আইন সহকারি রফিকুল ইসলাম, অফিস সহকারি আব্দুস সালাম ও মো. হায়াতুল।

বিসিসি কার্যালয় সূত্র থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি একযোগে ৩২ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ওএসডি করা হয়। বিভিন্ন সময় এদের মধ্যে কয়েকজনকে চাকরিচ্যুতি করা হয়। সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার চিঠির মাধ্যমে ওই ১২ জনকে চাকরিচ্যুতি করা হলো।

এদিকে চাকরিচ্যুতরা অভিযোগ করেন, এখানে বিসিসি’র আইন অগ্রাহ্য করে অবৈধভাবে আমাদের চাকরিচ্যুতি করা হয়েছে। চাকরিচ্যুতির আগে শো-কজ ও তদন্ত কমিটি গঠনসহ একাধিক প্রক্রিয়ার বিষয় রয়েছে। কিন্তু বিসিসি খোঁড়া অজুহাত তুলে আড়াই বছরের অধিক সময় আমাদের ওএসডি করে রাখা হয়। ওই সময় বেতনের একটা অংশ দেয়ার নিয়ম থাকলেও তাও দেয়া হয়নি। গত বৃহস্পতিবার সরাসরি চাকরিচ্যুতির চিঠি প্রদান করা হয়। সেখানে উল্লেখ রয়েছে তিন মাসের বেতন প্রদানপূর্বক চাকরিচ্যুতি করা হলো। বিডি জার্নাল

Loading