২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:৪৩
শিরোনাম:

একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৩০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু ৪, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্বেগ

সারাদেশে করোনার সংক্রমণ কিছুটা কমে এলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩০৬ জনের মধ্যে ৩৩ জন ঢাকার বাইরে এবং বাকি ২৭৩ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছর একদিনে এই দ্বিতীয়বারের মতো ৩০০ জনের বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণে ৩০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে জুলাই মাসে ১২ জন ও আগস্টে ১৮ জন মারা গেছেন। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ১১০ জন এবং ঢাকার বাইরে ৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

এদিকে, চলতি আগস্টে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার ২৯৮ জনে। এর আগে, জুলাই মাসে দুই হাজার ২৮৬ জন, জুন মাসে ২৭২ জন ও মে মাসে ৪৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিভাগ অনুযায়ী তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি বছরে ৩৮৬ জন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন। বাকি ৯২ শতাংশ রোগী ঢাকা বিভাগে। আর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি সিলেট বিভাগে।

দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর তুলনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ ও শঙ্কার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তার। বুধবার দুপুরে দেশের সার্বিক করোনা এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদফতরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গুর যে পরিস্থিতি তাতে অন্য যেকোনও সময়ের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি নয়, কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। এটি অত্যন্ত শঙ্কার বিষয়।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, এ বিষয় নিয়ে সম্মিলিতভাবে সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগ যেভাবে কাজ করছে, এই কাজের গতি বাড়িয়ে দিলে খুব সহজেই পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য মুখপাত্র বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদেরকে দিনে ও রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে শরীর ঢেকে রাখে এমন কাপড় পরিধান করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি।

জ্বর এলেই ডেঙ্গু পরীক্ষার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে কারো শরীরে জ্বর এলেই কেবল করোনা মনে করতে হবে তা নয়। পাশাপাশি কিন্তু ডেঙ্গু জ্বরের যে পরীক্ষাটি আছে, এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষাটি করতে হবে। পরীক্ষাটি সহজেই করা যায়। সরকারি-বেসরকারি সব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনা পয়সায় পরীক্ষা করা হচ্ছে, এ পরীক্ষাগুলো করে ফেলতে হবে।

 

Loading