২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:৩৭
শিরোনাম:

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খুলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারে রাখা হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

সোমবার (২৩ আগস্ট) বিএনপির করোনা পর্যবেক্ষণ সেলে চিকিৎসা সামগ্রী প্রদান অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, সরকারের এতো মিথ্যা কথা, মিথ্যা অপপ্রচার এসব দিয়ে তারা প্রতিনিয়ত জনগণকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। তাদের কাজই হচ্ছে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় চলছে ফিরছে কিন্তু শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই খুলছে না। অর্থাৎ দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে শিক্ষা না পায় সে ব্যবস্থাই তারা করছে। টিকার মজুত না থাকলেও গণটিকা কার্যক্রমের ঘোষণাসহ প্রতিনিয়িত মিথ্যাচার করে সরকার জনগণের সাথে প্রতারণা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমানকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ঘটনায় জিয়াউর রহমানকে নিয়ে তো প্রশ্নই উঠতে পারে না। এ হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের লোকেরাই জাড়িত। সব ব্যর্থতা মাথায় নিয়ে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, দেখেন হঠাৎ করেই কঠোর লকডাউন-টকডাউন সমস্ত উধাও হয়ে গেলো। এখন যে যেমন খুশি চলো। হাজার হাজার মানুষ এক সঙ্গে চলছে, ফিরছে-সব কিছুই করছে। একটা জিনিসই চলছে না এটা হচ্ছে- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন শিক্ষা না পায় সেই ব্যবস্থা তারা (সরকার) করছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই করোনার একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেমন তারা টিকার জন্য পরিকল্পনা করেছেন, টিকা ভ্যাকসিনেশনের জন্য পরিকল্পনা করেছে, তেমন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জীবন-জীবিকার পরিকল্পনা করেছে এবং একই সঙ্গে কিভাবে শিক্ষা প্রদান করা যায় সেটার জন্য তারা পরিকল্পনা করেছে। আমাদের এখানে কোনো পরিকল্পনা নেই।

অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, অনলাইনে কারা পড়ে? একমাত্র যারা বিত্তশালী মানুষ তারাই অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারে, আর তো কারো পক্ষে সম্ভব নয়। একটা কম্পিউটার যোগাড় করা, একটা মোবাইল সেট যোগাড় করা- সারা দেশে সেটা নেই। গ্রামে স্কুল যেগুলো আছে সেগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ। পত্রিকায় দেখেছেন যে, ছেলেরা এখন বেলুন বিক্রি করছে, বাদাম বিক্রি করছে। স্কুল বন্ধ এখন তারা বাবা-মাকে সাহায্য করার জন্য এগুলো করছে।

করোনায় ওষুধপত্র দেয়ার জন্য জিয়া পরিষদকে ধন্যবাদ জানান বিএনপি মহাসচিব।

জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক এমতাজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদের নেতাদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আবু জাফর খান, দেলোয়ার হোসেন, শহীদুল ইসলাম, নীলিমা রহমান লিলি, নুরুন নবী, ইদ্রিস আলীসহ প্রমুখ নেতারা ছিলেন।

Loading