৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:০৮
শিরোনাম:

গণটিকা কর্মসূচি বন্ধ হওয়ায় মানুষের মাঝে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের আরও বলেন, টিকা কর্মসূচিতে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশে গণটিকা কর্মসূচি বন্ধ নয়, আরো জোরদার করতে হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জি এম কাদের মনে করেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন আগামী জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারিতে ৮ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। এতে দরকার হবে ১৬ কোটি ডোজ করোনার টিকা। কিন্তু ২৩ আগস্ট পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৩৭ লাখ ৪ হাজার ৮৩৭ ডোজ টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৬৯ লাখ ৪৮ হাজার ৬২২ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৬৭ লাখ ৫৬ হাজার ২১৫ জন।

জাতীয় পার্টিও চেয়ারম্যান বলেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রয়োজন হবে ১৩ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার ১৬৩ ডোজ টিকা। প্রতি মাসে গড়ে অন্তত সোয়া ২ কোটি ডোজ টিকা প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এই বিপুল সংখ্যক টিকা কখন, কোথা থেকে আসবে এবং কিভাবে প্রয়োগ হবে তা উল্লেখ নেই।

তিনি বলেন, গণটিকা কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ ছিলো। তার পরেও প্রতিদিন লাখ লাখ সাধারণ মানুষ টিকা পেয়েছেন। তবে আমরা আশা করছি, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করে আবারো গণটিকা কর্মসূচি চালু করতে হবে।

গণটিকা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সারা পৃথিবী যখন জীবন যাত্রা স্বাভাবিক করে ফেলেছে, তখনো বাংলাদেশের নাম বিশ্বের মধ্যে টিকা প্রয়োগে পিছিয়ে পড়া দেশের তালিকায়। দু:খজনক সত্য হচ্ছে, এশিয়ার মধ্যেও করোনা টিকা প্রয়োগে বাংলাদেশ পিছিয়ে। তাই করোনা প্রতিরোধে গণটিকা কর্মসূচির বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

 

Loading