২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:০৩
শিরোনাম:

কাঠগড়ায় মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন ওসি প্রদীপ

চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার শুনানির সময়, কাঠগড়ায় মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার (২৩ আগস্ট) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলার সময় এই ঘটনা ঘটে। প্রদীপের কথা বলার একটি ছবি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে একাত্তর টিভি।

প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আদালত কক্ষের কাটগড়ার ভেতরে হাঁটু গেড়ে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি আশপাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মোবাইল ফোনে একের পর এক কল করে কথা বলেছেন, সিনহা হত্যা মামলার এই আসামি। পরনে ছিলো কালো পোলো শার্ট।

খবর নিয়ে জানা গেছে, বরাখাস্ত ওসি প্রদীপকে মোবাইল ফোনটি সরবরাহ করেছিলেন সেখানেই দায়িত্বরত এক পুলিশ কনস্টেবল।

বিচার বিভাগীয় বাতায়নে দেওয়া আদালতের আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, আদালত চলাকালীন সময়ে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে হবে। অর্থাৎ, মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।

এদিকে, আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে দেখে বিরক্তি নিয়ে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, আমাকে নতুন করে চেনানোর দরকার নেই।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মামলার সাক্ষগ্রহণের দ্বিতীয় দিন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে মেজর সিনহা নিহত হন পুলিশের গুলিতে। টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকতসহ ৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসী। পরে গ্রেপ্তার করা হয় ঘটনার সময় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের তিন সদস্যসহ পুলিশের তিন সোর্সকে।

চার মাসেরও বেশি সময় তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় তদন্তকারী সংস্থা র‍্যাব। এর মধ্যে ১২ আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গত ২৭ জুন মামলার ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।

মামলায় কারাগারে থাকা ১৫ আসামি হলেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাগর দেব, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ

এ ছাড়া পুলিশের মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

 

Loading