৬১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩০ বল বাকি থাকতেই তিন উইকেট হারিয়ে জয় নিজেদের করে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো। দলের পক্ষে ম্যাচ সেরা সাকিব সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন। রহিম ১৬ ও রিয়াদ ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে টসে হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নেমে টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে বাংলাদেশ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নাসুম-মোস্তাফিজদের সামনে দাঁড়াতেই পারে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬০ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা। যা টি-টোয়েন্টিতে কিউইদের যৌথ সর্বনিম্ন সংগ্রহ। মিরপুরে ইনিংসের শুরুতেই নিউজিল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানেন মেহেদি হাসান। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ওপেনার রাচিন রবিন্দ্রকে ফেরান তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকেই কট অ্যান্ড বোল্ডে এই কিউই ব্যাটসম্যানকে গোল্ডেন ডাক উপহার দেন মেহেদি।
এরপর নিজের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে উইল ইয়ংকে (৫) বোল্ড করেছেন সাকিব আল হাসান। আর নিজের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও শেষ বলেই কলিন ডি গ্রান্ডহোম (১) ও ওপেনার টম ব্লান্ডেলকে (২) বোল্ড করেন নাসুম আহমেদ। ফলে ৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে কিউইরা।
পরবর্তীতে হেনরি নিকোলসকে নিয়ে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন অধিনায়ক টম লাথাম। কিন্তু সেটা বেশিদূর যেতে দেননি মোহাম্মদ সাইফুদ্দীন। ৩৪ রানের জুটির পর লাথাম সাইফের বলে ২৫ বলে ১৮ রান করে ফেরেন। কিছুক্ষণ বাদেই নিকোলসকেও (১৮) ফেরান সাইফুদ্দিন। এরপর মোস্তাফিজের পরপর আঘাতে মাত্র ৬০ রানেই অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের এটি সর্বনিম্ন রান। এর আগে তাদের সর্বনিন্ম সংগ্রহ ছিলো ৬০ রানের। সেটিও বাংলাদেশের মাঠে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চট্রগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই লজ্জা পেয়েছিলো কিউইরা। সবমিলিয়ে এটি আইসিসির পূর্ন সদস্য দেশের মধ্যে দ্বীতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ। সর্বনিম্ন ৪৫ রান ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড ৬০/১০ (১৬.৫)
লাথাম ১৮, নিকোলস ১৮
মোস্তাফিজ ৩/১৩, নাসুম ২/৫, সাইফুদ্দীন ২/৭, সম্পাদনা: মিনহাজুল আবেদীন।
![]()