২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৭:১৮
শিরোনাম:

সশরীরে পরীক্ষা ছাড়াই তৃতীয় শ্রেণিতে উঠছেন ৩৭ লাখ শিক্ষার্থী

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২০ সালে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিলো ৩৭০৯০৫০ জন। অটোপাসের মাধ্যমে ২০২১ সালে তারা দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। এবছরও বার্ষিক পরীক্ষার পরিকল্পনা না থাকায়, ২০২২ সালে তারা অটোপাসের মাধ্যমে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হবেন। ক্লাস ছাড়াই উত্তীর্ণ এসকল শিক্ষার্থীর ক্লাস উপযোগীতা নিয়ে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদ, শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে সারাদেশে প্রাক প্রাথমিকে ছিলো ৩৯৪৭৮৫২ জন। এছাড়াও প্রাথমিকের দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩৬৪৩৪১, তৃতীয়তে ৩৬১৫৪২১, চতুর্থ ৩৫৬৬৯২৩ এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৩০৬৯০২৪ জন। অর্থাৎ ক্লাস ও পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী শ্রেণিতে যাচ্ছে প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির মোট ২ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৬৯১ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষাবিদ এ কে আজাদ চৌধুরী জানান, দেড় বছর যে সকল শিক্ষার্র্থী ঘরে বসে ছিলো তাদের ক্লাস উপযোগী করা নিশ্চই দুরহ বিষয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সরকার যদি কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে কিছুটা উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। ঢিলেঢালা গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় চললে শিক্ষা খাতে মহামারি দেখা দিবে।

কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যন ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, এসকল শিক্ষার্থীর মূল ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত না হলেও গতানুগতিকভাবে ২০২২ সালে তারা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়বে। এমন শিক্ষার্থীকে ক্লাস উপযোগি করা খুবই কষ্টসাধ্য হবে। মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুলের সহকারি শিক্ষিকা জিনাত আরা বলেন, দীর্ঘদিন পাঠদানের বাইরে থাকায় শিক্ষকদের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে, শিক্ষকতা এমন একটি পেশা যেখানে প্রতিদিন চর্চার মধ্যে থাকতে হয়।

ইয়াসিন পারভেজসহ কয়েকজন অভিভাবক জানান, অন্তত তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত স্বশরীরে পাঠদান ছাড়া শিশু শিক্ষার্থীদের বিকাশ অসম্ভব। তারা জুম, টেলিভিশন বা ডিজিটালি পাঠগ্রহনের সক্ষমতা রাখে না। সামর্থ অনুযায়ী বাসায় পাঠদান করানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য। সম্পাদনা: মিনহাজুল আবেদীন।

Loading