৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৪৬
শিরোনাম:

মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ডিবিসি টিভি ২০২০ সালে ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ পাঠ্যপুস্তকে নিয়ে আসা উচিত। এখনকার প্রজন্মকে এই ভাষণ শোনানো উচিত। ঐতিহাসিক এই ভাষণের আধেয় জানানো উচিত। সাতই মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ ঘোষণা চেয়ে করা এক রিটের শুনানিতে আদালত এই অভিমত দেন। প্রথম আলো

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ওই শুনানি হয়। সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকেন্দ্রিক সরকারের পরিকল্পনা, ওখানে থাকা স্থাপনার বিষয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতো মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর এক রিটের শুনানি নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে মঞ্চ পুনর্নির্মাণ করে সেখানে তার ভাস্কর্য এবং ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

Loading