২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৫৪
শিরোনাম:

এতিমখানার ৪ শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

মাদারীপুরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে নামাজে অংশ না নেওয়ায় এতিমখানার ৪ শিক্ষার্থীকে বেদম মারধরের অভিযোগ উঠেছে নুরানি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ভয় আর আতঙ্কে এরইমধ্যে এতিমখানা ছেড়ে গেছে দুই শিক্ষার্থী। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার ওই ৪ শিক্ষার্থীর বাড়ি কালকিনি ও ডাসার উপজেলায়। এদিকে, ঘটনার পর পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক বেল্লাল হোসেন। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।

স্বজনরা জানায়, অসুস্থতার কারণ শুক্রবার আসর নামাজে অংশ নিতে পারেনি হযরত শাহ্মাদার দরগাহ্ শরীফ এতিমখানার প্রথম জামাতের শিক্ষার্থী আসিফ, সাকিব, রাজু ও সাইফুল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রুলের শিক্ষক বেল্লাল হোসেন একটি রুমে মধ্যে আটকে রেখে বেত দিয়ে ওই ৪ শিক্ষার্থীকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেদম মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে ভয় আর আতঙ্কে রাতেই বাড়ি চলে যায় আসিফ ও সাকিব। শনিবার সকালে পরিবারের লোকজন বিছানাপত্র, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ মাদ্রাসা ত্যাগ করেন।

আসিবের বাবা শাহাদাৎ বেপারী অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে বেত দিয়ে বেদম মারধর করেছে। ছেলে অসুস্থ থাকায় নামাজে অংশ নিতে পারেনি। এজন্য এভাবে নির্যাতন করবে, মেনে নিতে পারছি না। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
হযরত শাহ্মাদার দরগাহ্ শরীফ কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন শরীফ বলেন, সকাল থেকে একের পর একজন লোকজন আসতেই আছে। একবার সাংবাদিক, একবার পুলিশ, আবার কখন আসছে পাবলিক। সবার প্রশ্নের জবাব দিতে দিতে সময় চলে যাচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যার পর আসলে কি ঘটেছিল পুরো ঘটনা এখনও শুনতে পারি নাই।

তিনি বলেন, ঘটনা শুনে অভিযুক্ত শিক্ষক যদি অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে বিচারের আওতায় আনা হবে। মূলত বিল্লাল হোসেন ১৫দিন পূর্ব মাদ্রাসায় মাস্টার রুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সব বিষয়ে এখনও তিনি পরিস্থিতি বুঝে উঠতে পারেনি।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. হাসান মিয়া জানান, খবর পেয়ে মাদ্রাসা পরিদর্শন শেষে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের থানায় আসতে বলা হয়েছে। তারা অভিযোগ দিলে মামলার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading