সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক অধ্যাপক বদিউল আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে “আইনের বিধানাবলি-সাপেক্ষে” নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও, গত ৫০ বছরে কোনও সরকারই এমন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। বাংলা ট্রিবিউন ও ডিবিসি টিভি
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে আশা করা হয়, সঠিক ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ জরুরি ভিত্তিতে গ্রহণ করবে। নাগরিক হিসেবে মতামত প্রদানের মাধ্যমে আমরা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে পারি।
অধ্যাপক বদিউল আলম মজুমদার ছাড়াও বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমির-উল ইসলাম, এম হাফিজউদ্দিন খান, আকবর আলী খান, রাশেদা কে চৌধুরী, বিচারপতি আবদুল মতিন, এম সাখাওয়াত হোসেন, ড. হামিদা হোসেন, সালেহ উদ্দিন আহমেদ, আলী ইমাম মজুমদার, আবু আলম শহীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ, দেবপ্রিয় ভট্টচার্য, খুশী কবির, অধ্যাপক পারভীন হাসান, ড. ইফতেখারুজ্জামান, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, ড. আহসান মনসুর, জেড. আই খান পান্না, শাহদীন মালিক, শিরিন হক, সালমা আলী, মুনিরা খান, শাহীন আনাম, ফারাহ কবির ও অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন প্রমুখ।
![]()