সরকারের ব্যর্থতায় কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!রোববার (১৭ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করায় কুমিল্লার সহিংসতা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা যদি কঠোর হতো তাহলে এত সহিংসতা হতো না। এর পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
কুমিল্লার ঘটনা দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যকে ম্লান করেছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার সঠিক পদক্ষেপ নিলে কুমিল্লা ও চৌমুহনীতে প্রাণহানি ও সহিংসতা হতো না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য সরকারের মদদেই নানুয়ারদীঘির ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল
কুমিল্লার ঘটনার সঙ্গে বিএনপিকে জড়িয়ে সরকারদলীয় নেতাদের বক্তব্যকে মিথ্যাচার দাবি করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমানউল্লাহ আমানের ফাঁসকৃত ফোনালাপ সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘কুমিল্লার নানিয়ারদীঘিতে গুজব তৈরি ও মন্দিরে হামলায় সরকারের মদদ রয়েছে। জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কোনো কারণ ছাড়া পূজামণ্ডপগুলোতে অস্থিরতা হয়নি। এর পেছনে নিশ্চয় কোনো কারণ আছে।
এ সময় প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে কি না, সেটাও তদন্তের মাধ্যমে বের করা হবে।
এরই মধ্যে কুমিল্লার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই-তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রকৃত দোষীদেরও খুঁজে বের করা হবে।
![]()