২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৫৫
শিরোনাম:

হামলা ঠেকানোর দায়িত্বে থাকা প্রশাসন ব্যর্থ হলো কেন, প্রশ্ন ইনুর

রংপুরের পীরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজামণ্ডপ ও বাড়িঘরে হামলার দায়দায়িত্ব প্রশাসনের বলে মন্তব্য করেছেন সম্প্রচার ও তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু l

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেছেন, প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা সাম্প্রদায়িক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইচ্ছাকৃত নিষ্ক্রিয়তা আছে কিনা, সরকারকে তা তদন্ত করে দেখতে হবে। হামলা ঠেকানোর দায়িত্বে থাকা প্রশাসন ব্যর্থ হলো কেন? প্রশাসন কি অদক্ষ নাকি গাফিলতি আছে? তা না হলে এই হামলার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। ৩২ হাজার পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দেওয়া হলো, অথচ ৫০টিতে হামলা হলো। এর দায় দায়িত্ব প্রশাসনকে নিতে হবে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় করিমপুর মাঝিপাড়া গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা ন্যাক্কারজনক এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা দেশের ও সমাজের শত্রু। এদের দ্রুত বিচার আইনে তিন মাসের মধ্যে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

সাম্প্রদায়িক উসকানি ও দেশকে অস্থিতিশীল করার পেছনে বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে হাসানুল হক ইনু বলেন, জঙ্গি সন্ত্রাসীদের মাথার ওপরে যতদিন পর্যন্ত বিএনপি ছাতা ধরে থাকবে, ততদিন পর্যন্ত দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলতে থাকবে। তাই এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী দলকে বয়কট করতে হবে।

এসময় তার সঙ্গে রংপুর জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক কুমারেশ রায়, মহানগর সভাপতি সাহিদুল ইসলাম, জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাসুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে সেখানে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সনজিৎ কুমার ভাট্টি। এর আগে হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক রাষ্ট্রদূত নিমচন্দ্র ভৌমিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার নিন্দা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার দাবি জানান।

Loading