২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:৩২
শিরোনাম:

‘অস্ত্রপচারের পর সুস্থ আছেন খালেদা জিয়া’

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ছোট একটি অস্ত্রপচারের পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সুস্থ ও বিপদমুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অপারেশনের পর খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন। তিনি বড় ছেলে তারেক রহমান এবং ছোট ভাইয়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এ ছাড়া চিকিৎসকরাও বলেছেন, এখন তার বিপদের সম্ভাবনা নেই।’ সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুর পৌনে ১টায় বিএনপির চেয়ারপারসনকে এভারকেয়ার হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে গতকাল রোববার যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসেন তার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান।

জানা যায়, দুপুর সাড়ে ১২টার পর ১০ তলার কেবিন ব্লক থেকে খালেদা জিয়াকে তিন তলার অস্ত্রোপচার কক্ষে নিয়ে আসা হয়। এ সময় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ছাড়াও কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

গত ১২ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সপ্তাহখানেক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। তবে পরিবার বা দলের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে এতদিন কেউ কথা বলেননি। এবার তার চিকিৎসাকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ের মধ্যে রাখা হচ্ছে বলে একাধিক নেতা বলেছেন। এমনকি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তার বোন সেলিমা রহমানও কিছু বলতে রাজি হননি। গতকাল সন্ধ্যায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

গত এপ্রিল মাসে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন খালেদা জিয়া। বাসায় চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে সেরে উঠলেও শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। প্রায় দুই মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন। ১৯ জুন তিনি বাসায় ফেরেন।

উল্লেখ্য, দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড হলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ এক নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত করে তাকে কারাগার থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। পরে আরো তিনবার তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সরকার।

Loading