২৭শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৯:০৬
শিরোনাম:

প্রতীক বরাদ্দের আগেই আ.লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার

বগুড়ার শেরপুরে খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভেঙে প্রতীক বরাদ্দের আগেই ডিজিটাল ব্যানার-পোস্টার সেঁটে নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী পরিমল দত্তের বিরুদ্ধে। সেইসঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতিসহ নানা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে গতকাল রোববার দুপুরের পর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন খানপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম রাঞ্জু।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে উপজেলার নয় ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও দাখিল সম্পন্ন হলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। আগামী ২৭ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু তার আগেই খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিমল দত্ত ডিজিটাল ব্যানার-পোস্টার সেঁটে প্রচার শুরু করেছেন। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া না হলেও আওয়ামী লীগের এই চেয়ারম্যান প্রার্থী খানপুর ইউনিয়নের শালফা, ছাতিয়ানী, গজারিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে ব্যানার-পোস্টার টাঙিয়েছেন।

খানপুর ইউনিয়নের চেয়াম্যান ও নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম রাঞ্জু বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই পরিমল দত্ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন। নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের আগেই এলাকার মোড়ে ডিজিটাল ব্যানার-পোস্টার লাগিয়েছেন। নির্বাচনী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে একতরফা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘আমার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। আমাকে ভোট না দিয়ে নানা হুমকি-ধামকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান প্রার্থী পরিমল দত্ত বলেন, ‘আগে থেকেই নির্বাচনী ব্যানার-পোস্টার তৈরি করে নেতাকর্মীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেসব লাগানোর কথা নয়। প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকেই এগুলো লাগানোর কথা।’ এ ছাড়া তার প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না বলে দাবি করেন তিনি।

খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে রির্টানিং কর্মকর্তা মাসুদ রানা সরকার জানান, প্রতীক বরাদ্দের আগেই ডিজিটাল ব্যানার ঝুলানো ঠিক নয়। সকল প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এরপরও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণ করা হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।