২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:১৫
শিরোনাম:

২৩ ঘণ্টা পর কক্সবাজার পৌরসভায় নাগরিক সেবা চালু

কক্সবাজার পৌরসভার নাগরিক সেবা ফের শুরু হয়েছে। বন্ধ রাখার ২৩ ঘণ্টা পর সেবা চালু করেছে পৌর পরিষদ।এর আগে পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানের নামে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলার প্রতিবাদে সব ধরনের নাগরিক সেবা বন্ধ করে দেয় পৌর পরিষদ। এতে করে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে পৌর পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক সেবা পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘কক্সবাজারের মেয়র মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আমরা রোববার (৩১ অক্টোবর) বিকেল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কক্সবাজার পৌরসভার সব নাগরিক সেবা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। অবশেষে একটা বৈঠকের মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস পেয়েছি। তাই সবকিছু বিবেচনা করে নাগরিক সেবা চালু করেছি। এখন থেকে নাগরিকরা পৌরসভার সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ হেলাল উদ্দিন কবির, প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আক্তার পাখি, কাউন্সিলর সালা উদ্দিন সেতু, মিজানুর রহমান, রুবেল, নারী কাউন্সিলর ইয়াছমিন, জাহেদা আক্তারসহ পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে একটি মার্কেটের সামনে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোনাফকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এঘটনায় পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মোনাফের ভাই শাহজাহানের করা মামলায় পৌর মেয়র ছাড়া আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া নাম উল্লেখ না করে আসামি করা হয় ৫-৬ জনকে।

মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে রোববার সন্ধ্যার দিকে শহরের রাস্তায় নামেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা। তারা কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণী পয়েন্ট, বাজারঘাটাসহ বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নেন এবং আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা অচল হয়ে পড়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজার।

Loading