২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৫৬
শিরোনাম:

গুলিবিদ্ধ কক্সবাজার শ্রমিক লীগ সভাপতির মৃত্যু

কক্সবাজার সদরের লিংকরোডে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুলিবিদ্ধ জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার দুইদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারি জানান, রোববার (৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জহিরুল ইসলাম সিকদার (৫৩) কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরী পাড়ার মৃত জামাল আহমদ সিকদারের ছেলে। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগ কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার সদরের লিংকরোড স্টেশনে ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তার ছোট ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদারের ব্যক্তিগত অফিসে অবস্থান করছিলেন। কুদরত উল্লাহ আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে ঝিলংজা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী। তারা দুই ভাইসহ কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী আলাপ করছিলেন।

এসময় একদল দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেল যোগে এসে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং কুপিয়ে জখম করে। এতে ৩ জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে কুদরত উল্লাহর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় ওইদিন রাতে চিকিৎসকরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। শনিবার (৬ নভেম্বর) সকালে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকা জহিরুল ইসলামের অবস্থাও আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চিকিৎসকরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) প্রেরণ করেন।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ ছিল, ইউপি নির্বাচনে স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালিয়েছে।

শ্রমিক নেতা শফিউল্লাহ বলেন, শনিবার সকালে অবস্থা আশংকাজনক হলে চিকিৎসকরা জহিরুল ইসলামকে কক্সবাজার থেকে চমেকে পাঠান। সেখানে পৌঁছানোর পর তার অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রেখে চিকিৎসা চলছিল। রোববার দুপুর পৌনে ১টায় চমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহিরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে।

শ্রমিক লীগের এ নেতা বলেন, জহিরুল ইসলামের লাশ কক্সবাজার নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। জানাজা শেষ করার পর মামলার পাশাপাশি হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সাংগঠনিক কর্মসূচী দেওয়া হবে।

Loading