৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৫৭
শিরোনাম:

গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া বাতিলসহ ১৩ দফা দাবি যাত্রীকল্যাণ সমিতির

যাত্রী প্রতিনিধি ছাড়া মালিক-সরকার মিলে গণপরিবহনে একচেটিয়াভাবে যে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে তা বাতিলসহ ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

সংগঠনের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে : ডিজেলচালিত স্টিকার লাগিয়ে বাড়তি ভাড়া আদায়ের সঙ্গে সঙ্গে বিআরটিএ প্রণীত বাস ভাড়ার তালিকা বাসে বাসে স্থায়ীভাবে লাগানোর ব্যবস্থা করা।

মালিকদের নির্দেশে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় বন্ধ করে সরকার নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের বিষয় নিশ্চিত করা।অন্যায়ভাবে কোনো যাত্রীকে যাতে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নৈরাজ্যের মাধ্যমে অপমান অপদস্থ হতে না হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা।

ওয়েবিলে যাত্রী গুনে ভাড়া আদায়ের নামে সিটিং সার্ভিসের নামে ভাড়া-ডাকাতি বন্ধে শুধু মৌখিক ঘোষণা নয়, কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সিটিং সার্ভিসে বাস চালালেও ভাড়া নির্ধারণের শর্তানুযায়ী ৭০ শতাংশ গড় বোঝাই যাত্রী নিয়ে সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় বাস চলাচল নিশ্চিত করতে হবে ও ছাত্র-ছাত্রীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে।

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডিজেলচালিত বাস-মিনিবাসের ভাড়া বৃদ্ধির সুযোগে সিএনজিচালিত বাস-মিনিবাসের পাশাপাশি হিউম্যান হলার, লেগুনা, টেম্পু, অটোরিকশায় যে হারে ভাড়া নৈরাজ্য তা বন্ধের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৫৫ শতাংশ যাত্রী ৩ কিলোমিটারের কম দূরত্বে যাতায়াত করে। তাই সিটি সার্ভিসে সর্বনিম্ন বাস ভাড়া শূন্য থেকে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত ৫ টাকা নির্ধারণ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর জন্য আলাদা আলাদা ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।

ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে বিআরটিএর প্রতীকী অভিযান বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিুরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা।দূরপাল্লার রুটে ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কিলোমিটার চুরি ও ভাড়ার তালিকা জালিয়াতি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।ভাড়া নির্ধারণের শর্ত লঙ্ঘন করে দৈনিক চুক্তিতে চালক-হেলপারের কাছে বাস ইজারা দেওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে।

গণপরিবহনে চাঁদাবাজি, পুলিশের হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং কথায় কথায় যে কোনো ঠুনকো অজুহাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করার মতো আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, মানবাধিকার সংগঠক নুর খান লিটন, বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সংগঠনের উপদেষ্টা শরীফুজ্জামান শরীফ, সহসভাপতি তাওহিদুল হক লিটন প্রমুখ।

 

Loading