নথিগুলোর মধ্যে রয়েছে খালেদা জিয়ার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৮ই মে, ১৫ই আগস্ট ও ৫ই সেপ্টেম্বর । খালেদা জিয়ার এসএসসি পরীক্ষার সনদ, জাতীয় পরিচয় পত্র, বৈবাহিক সনদ, পাসপোর্ট ও এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত জন্ম সনদ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব নথি দাখিল করা হয়। পরে আদালত এ বিষয়ে বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথী। অপরদিকে রিটের বিরোধিতা করে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
এর আগে জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্টে বিএনপি চেয়ারপারস খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের বিষয়ে যাবতীয় নথি দাখিল করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ৬০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এসব নথি দাখিল করতে বলেন আদালত।
এছাড়া ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন বন্ধে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।
গত ১৩ জুন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশরদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্টে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুন অর রশিদ এ রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনে খালেদা জিয়ার সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জন্ম নিবন্ধনের নথি হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে স্বরাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, গুলশান থানার ওসি ও খালেদা জিয়াকে বিবাদী করা হয়।
![]()