৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:০৯
শিরোনাম:

ইসি গঠন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাপা নেতারা বসছেন সোমবার

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। প্রথম দিন সংলাপে অংশগ্রহণ করছে জাতীয় পার্টির আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি-২ খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, আগামীকাল সোমবার বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে যাবে জাতীয় পার্টির আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে প্রথমে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) আনুষ্ঠানিকভাবে সংলাপের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এদিন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এছাড়া পর্যায়ক্রমে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। এর আগেই নতুন কমিশন নিয়োগ দিতে হবে রাষ্ট্রপতিকে। সে জন্য কমিশন গঠনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবেন তিনি।

তাই নতুন ইসি গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সোমবার বিকেল ৪টায়। সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সংলাপ শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমন্ত্রণের চিঠি পেয়েছে তারা।

জানা গেছে, ইসি গঠনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মতো মো. আবদুল হামিদও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল এখন ৩৯টি।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনে ২০১৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করেছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এক মাস ধরে ৩১টি দলের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। তবে এবারও ৩১টি দলকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে। সেক্ষেত্রে একাধিক দল নিয়ে একই দিনে সংলাপ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি।

সংলাপের মাধ্যমে সার্চ কমিটি গঠন করে কেএম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে। সংলাপ শেষে সার্চ কমিটি গঠন করার পর সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই কমিটির কাজের সাচিবিক দায়িত্বও থাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের হাতে।

Loading