৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৩৫
শিরোনাম:

পোড়া লঞ্চে ছবি হাতে নিখোঁজদের খোঁজে স্বজনরা

ঝালকাঠিতে যাত্রীবাহী লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের একদিন পর পোড়া লঞ্চে থামছেই না নিখোঁজদের স্বজনের আহাজারি। জীবিত নয় মৃত স্বজনের মরদেহ খুঁজতে এসেছেন কেউ কেউ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এদিকে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিসহ পোড়া লঞ্চ পরিদর্শন করেছেন সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান। দুর্ঘটনাকবলিত স্থান ঝালকাঠির দিয়াকুল গ্রাম থেকে পুড়ে যাওয়া লঞ্চটি ঝালকাঠি লঞ্চ টার্মিনালে রাখা হয়েছে।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে লঞ্চটি পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান এবং বরিশাল বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক কামাল উদ্দিন। তারা লঞ্চের ইঞ্জিন রুমসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে কারণ অনুসন্ধান করেন।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাবেক নৌমন্ত্রী বলেন, ইঞ্জিন রুমের ত্রুটি থেকে এ দুর্ঘটনা। তবে এখনও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে পুড়ে যাওয়া লঞ্চে আজও নিখোঁজদের স্বজনরা আহাজারি করে। জীবিত না হোক মরদেহের খোঁজে লঞ্চের বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়ান তারা। এসময় তাদের কান্নায় হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে আরও ৮০ জন। দগ্ধদের মধ্যে ৭০ জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহতদের মধ্যে ৩২ জনের মরদেহ শুক্রবার রাত ১১টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সনাক্ত হওয়া নিহত আরও ৪ জনের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে দেওয়া হয়েছে।

যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন- বরগুনা জেলা পাথরঘাটা উপজেলার মৃত. হোসেন আলীর ছেলে আব্দুল রাজ্জাক মাস্টার (৬২), বরগুনার বেতাগী উপজেলার আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. রিয়াজ হাওলাদার ( ৩৫), বরগুনার বামনা উপজেলার সঞ্জিব চন্দ্রের ছেলে স্বপ্লীল চন্দ্র (১৪) ও বামনা উপজেলার মোসা. জাহানারা বেগম (৪৫)।

Loading