শফিউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর আশঙ্কা অপহরণের পরপরই নুরুল আমিনকে হয়তো হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা খুন করেই ক্ষান্ত হননি, মুক্তিপণও আদায় করতে চেয়েছিলেন।
শফিউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর আশঙ্কা অপহরণের পরপরই নুরুল আমিনকে হয়তো হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা খুন করেই ক্ষান্ত হননি, মুক্তিপণও আদায় করতে চেয়েছিলেন।
শফিউদ্দিন আরও বলেন, নুরুল আমিন রাত ১০টার মধ্যেই ঘরে ফেরেন। ২ জানুয়ারি বিকেলে বাসা থেকে বের হন তিনি। বড় ভাইয়ের শ্বশুরবাড়িতে নুরুল আমিনের মা আসায় তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। ফেরার সময় বড় ভাইয়ের মোটরসাইকেলে চড়ে আসছিলেন।
পরদিন থানা ও ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে। গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে নুরুল আমিনের মুঠোফোন থেকে একটা ফোন আসে। অপরপ্রান্ত থেকে শফিউদ্দিনের কাছে এক কোটি টাকা চাওয়া হয়।
শফিউদ্দিন বলেন, ‘আমাকে বলল, আমরা যে টাকা চেয়েছি এটা কাউকে বলবেন না। পুলিশকে জানানোর দরকার নেই। আমি শুধু ছেলেটার সঙ্গে কথা বলতে চাইলাম। বলল, সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।’ এরপর আরও কয়েকবার মুক্তিপণ চেয়ে ফোন করে অপহরণকারীরা।
![]()