রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) আশরাফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে রংপুরে এএসপি (সি-সার্কেল) আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাকৃত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার পারুল ইউনিয়নের অনন্দি ধনিরাম গ্রামের মৃত গোফফার মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়ারু মিয়া (৩৫), ছামছুল হকের স্ত্রী রূপবান (৫৫), নুর হোসেনের স্ত্রী রাহেনা বেগম (৩০), রুবেল মিয়ার স্ত্রী রুমানা বেগম (২৫), মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী দুলালী বেগম (৩০) ও মিঠাপুকুর উপজেলার শালাইপুর (নোয়াখালীপাড়া) গ্রামের নুর ইসলামের স্ত্রী জোৎস্না বেগম (৩৮)।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে সাজাহান মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী গোফফার মিয়ার ছেলে জিয়ারু মিয়ার জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার সকালে আবারও জিয়ারু ও তার লোকজন সাজাহানের জমি দখল করে গাছ ও রাস্তা কাটতে থাকেন। এ সময় সাজাহান ও তার পরিবারের লোকজন বাধা দেয়। এতে জিয়ারু ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে সাজাহানের স্ত্রী ও মেয়েকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালায়। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ এ ফোন দিলে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে পীরগাছা থানা পুলিশ। বর্তমানে তারা স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
এদিকে এ ঘটনার একটি ভিডিও শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ।
এ ঘটনায় সাজাহান মিয়া বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় ১৮ জনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেন। এর দুদিন পর শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টায় এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
রংপুরের এএসপি (সি সার্কেল) আশরাফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাত থেকে শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
![]()