২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩৬
শিরোনাম:

ইসি গঠনে প্রস্তাবিত আইন ‘সান্ত্বনা পুরস্কার’ : আ স ম রব

নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন প্রশ্নে সরকারের প্রস্তাবিত আইনকে ছেলে ভোলানো ‘সান্ত্বনা পুরস্কার’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জনগণের অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয়-এমন ইসি গঠনে নতুন আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।

আ স ম রব বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রশ্নে প্রস্তাবিত আইন অতীতের নীলনকশার ‘সার্চ কমিটির’ আইনগত বৈধতা দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। এ আইনে জনস্বার্থে বা গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা পূরণের নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব হবে না। ধ্বংসপ্রাপ্ত নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য একটি শক্তিশালী দক্ষ, সৎ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের অনিবার্যতা প্রস্তাবিত আইনে প্রতিফলিত হয়নি। আইনটি হতে হবে জনস্বার্থে, সরকারের আজ্ঞাবাহী প্রতিষ্ঠান গড়ার লক্ষ্যে নয়।

তিনি আরও বলেন, সৎ, দক্ষ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাভিত্তিক নির্বাচন কমিশন গঠনে সুজন’র পক্ষ থেকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২১’ এর প্রস্তাবনায় কমিশন গঠনে প্যানেল তৈরির লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই, গণবিজ্ঞপ্তি এবং গণশুনানির যে ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল তার কোনোটাই সরকার বিবেচনায় নেয়নি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনবিহীন অপসংস্কৃতির মাধ্যমে জাতির মননে যে হীনমন্যতার চাষ করা হচ্ছে তা থেকে উত্তরণে আইনের শাসন ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা খুবই প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

আ স ম রব বলেন, প্রায় এক যুগে প্রশাসন, পুলিশবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে যেভাবে দলীয়করণ করে ধ্বংস করা হয়েছে, তাতে বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় রেখে কোনো নির্বাচন কমিশনের পক্ষেই নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তাই এখনই নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার এবং নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা অর্থাৎ জাতীয় সরকার গঠন নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যমত্য স্থাপন করতে হবে, নতুবা রাষ্ট্র ক্রমাগতভাবে সংকটগ্রস্ত হতে থাকবে, যা কারো কাম্য হওয়া উচিত নয়।

 

Loading